এক মর্মান্তিক হত্যাকান্ড ঘটনার চেষ্টা

0
60

এক মর্মান্তিক হত্যাকান্ড ঘটনার চেষ্টা,সম্প্রতি পূর্ণবতী গ্রামের,আমির শেখ ও  বাটুল শেখ ,আরও সহযোগী অনেকেই,হত্যা করার উদ্দেশ্যে,অনেকদিন থেকেই দা কাঁচি এবং আরো অনেক যন্ত্রাংশ প্রস্তুত করে,তাদের প্রস্তুতি শেষে একদিন সন্ধ্যাবেলা,আক্রমণ করে ।


আতাউল্লাহ শেখ হাবিবুল্লাহ শেখ এবং তার পরিবারের উপরে,দলবল নিয়ে আক্রমণ চালায়,একপর্যায়ে আতাউল্লাহ সেক এর উপরে তাকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে খুব গুরুতর মাথার উপরে কোপ দেয়,আতাউল্লাহ শেখ ডান হাত দিয়ে ঠেকানোর চেষ্টা


করায় তার হাতের আঙ্গুল টি সাথে সাথে কেটে যায়,অপরদিকে তাহার ফ্যামিলির লোকে এগুলো দেখতে পেয়ে তাকে বাঁচানো উদ্দেশ্যে ছুটে আসে অপরদিকে আমির শেখ তাদেরকে দেখেই দা দিয়ে জোরে কোপ দেয়,দার কোপ লেগে হাবিবুল্লাহ শেখ গুরুতর আহত হয়ে যায়,মাটিতে পড়ে যায় হাবিবুল্লাহ এবং আতাউল্লাহ শেখ,আমির শেখ এদিকে ফিরে আবারো হত্যা করার উদ্দেশ্যে কোপ


দেয়,আতাউল্লাহ শেখ ঠেকানোর চেষ্টা করায় আতাউল্লাহ শেখের পায়ের উপরে গিয়ে এই কোডটি লাগে এবং তাহার পায়ের রগ সাথে সাথেই কেটে যায়।আতাউল্লাহ শেখ এবং হাবিবুল্লাহ শেখ চিৎকার করে পাশে অনেক লোক চলে আসে,লোকজন এসে যখন দেখে আতাউল্লাহ শেখ এবং হাবিবুল্লাহ শেখের এই অবস্থা,তখন তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করে।


অপরদিকে আমির শেখ দৌড়ে রাস্তায় বের হয়ে যায় এবং সেখানে গিয়ে তাদের দলবলকে জড়ো করে,যখনই আতাউল্লাহ হাবিবুল্লা ও তার ফ্যামিলির লোকজন তাদের কে বাঁচানোর চেষ্টায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা


গ্রহণ করে তখনই আমির শেখ তাদের দলবল নিয়ে আবারও হামলা করে রাস্তার উপরে। সেখানেও তাদের ফ্যামিলি দের গুরুতর আহত করে কিন্তু সেখানে থাকা কিছু ভাল লোকের সাহায্যে তাদেরকে হাসপাতালে নিয়ে আসতে সক্ষম হয়।এক পর্যায়ে তাদের কে কোটালীপাড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।


কোটালীপাড়া হাসপাতালের সিনিয়র ডাক্তারগণ পরামর্শ দিল এই রোগীদেরকে সাথে সাথে পঙ্গু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য। ফ্যামিলির লোকজন তাকে বাঁচানোর উদ্দেশ্যে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করল। অপরদিকে আমরা সংবাদ সংগ্রহ করতে সেখানে উপস্থিত হই।


আমরা আমির শেখ কে কিছু প্রশ্ন করি,আমির শেখ প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছিল একপর্যায়ে প্রশ্ন করার পরে উত্তর দিতে পারতে ছিল না এই কারণে সেখানে থাকা লোকজন আমাদের সংবাদকর্মীদের উপরে হামলা করে এবং আমাদের ক্যামেরা কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করে সেখানে থাকা মানুষজনের


সহযোগিতায় আমরা সেখান থেকে চলে আসতে সক্ষম হই…পরে আমরা সংবাদ সংগ্রহ করার জন্য হাসপাতালে যাই সেখানে গিয়ে জানতে পারি আতাউল্লাহ শেখ সারা জীবনের জন্য পঙ্গু হয়ে যাবেন অপরদিকে হাবিবুল্লাহ শেখ হয়তো কিছুদিনের ভিতর সুস্থ হতে পারেন।


আমির শেখ কে মারধর করার অভিযোগ করা হয়েছে হয়তো বা আমির  শেখ কে সেখানে থাকা স্বজনরা কিছু মারধর করেছেন আমাদের প্রশ্ন হচ্ছে তাকে মারধর করেছে কিন্তু তিনি কিছুদিন বিশ্রাম নিলে ডাক্তারি পরামর্শ সুস্থ হয়ে যাবেন অপরদিকে আতাউল্লাহ শেখ হয়তোবা আর কোনদিন তাহার নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারবেন না কি বলার আছে সমাজের কাছে…..



 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here